1. basitpress71@gmail.com : basitpress71 :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
Title :
তালামীযে ইসলামিয়া কমলগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন মৌলভীবাজারে টপ টেন এর নতুন শোরুম উদ্বোধন উদ্বোধন উপলক্ষে সব পণ্যে ১৫ শতাংশ বিশেষ ছাড় করমউল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কমলগঞ্জে অভয় চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত  মো. ফরিদ মিয়া নেতা নয়, জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই: সমাজসেবক আহমেদ সাদিক কমলগঞ্জে সীরাত সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে ইশকে মোস্তফা মাহফিল অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা,শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত সাইফুল ইসলাম কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সত্যেন্দ্র কুমার পাল নান্টু পুনরায় নির্বাচিত

ভালবাসার টানে গোপালগঞ্জে জার্মান তরুণী, পরিবারজুড়ে উচ্ছ্বাস

  • Update Time : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৪৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্ত। চারিদিকে ফুলের সমারোহ। স্নিগ্ধ এমন মধুময় পরিবেশে প্রেমের টানে জার্মান তরুণী জেনিফার স্ট্রায়াস গোপালগঞ্জে ছুটে এসে প্রিয় মানুষ চয়ন ইসলামের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ভিনদেশি বধূ পেয়ে খুশি চয়নের পরিবার। পরিবারজুড়ে তাই বইছে খুশির বন্যা।

গত রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গোপালগঞ্জের একটি আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে জেনিফার স্ট্রায়াস ও চয়ন ইসলামের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এতে হৈচৈ পড়েছে পুরো এলাকায়। অনেকেই জার্মান বধূকে দেখতে ছুটে আসছেন চয়নের বাড়িতে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন জেনিফার। সেখানে তাকে স্বাগত জানান প্রেমিক চয়ন ইসলাম ও তার স্বজনরা। রাতেই জেনিফারকে নিয়ে গোপালগঞ্জ শহরে চলে আসেন তারা। পরদিন রোববার সকালে পরিবারের লোকজন নিয়ে আদালতে গিয়ে তারা বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন।

প্রেমিক চয়নের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার জোতকুরা গ্রামে। ইতালি প্রবাসী বাবা রবিউল ইসলামের সুবাদে চয়নও বেশ কয়েক বছর আগে ইতালিতে যান। কিছুদিন পর ইতালি থেকে জার্মানিতে চলে যান তিনি। প্রায় পাঁচ বছর আগে জার্মান ভাষা শিখতে একটি শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুবাদে পরিচয় হয় জেনিফারের সঙ্গে। সেই পরিচয় থেকেই প্রেম। ২০২২ সালের ১০ মার্চ চয়ন বাংলাদেশে চলে আসলেও তাদের প্রেমে কোনো টানাপোড়েন হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার টানে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে জেনিফার ছুঁটে আসেন প্রেমিক চয়নের কাছে।

জেনিফার একজন মাধ্যমিক লেভেলের শিক্ষার্থী। জার্মানির বাইলেফেল্ড স্টেটে বাবা-মার সঙ্গেই বসবাস করেন। তার বাবার নাম জোসেফ স্ট্রায়াস ও মায়ের নাম এসাবেলা স্ট্রয়াস।

চয়নের মা ঝর্ণা বেগম বলেন, ‘ভাবতেও পারিনি জেনিফার আমাদের সঙ্গে এত সহজে মিশে যেতে পারবে। বিদেশি পূত্রবধূকে পেয়ে আমরা সবাই খুশি। অল্প সময়েই মধ্যে সে সবাইকে খুব আপন করে নিয়েছে।’

জেনিফারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলেছেন তার বাবা জোসেফ ট্রায়াস। এ বিয়েতে জেনিফারের বাবা-মাসহ তার পরিবারের সবাইও খুব আনন্দিত।

জেনিফার তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশের পরিবেশ, আতিথেয়তা ও সবার ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে। পরিবারের সবাই আমাকে আপন করে নিয়েছে। সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে চলতে পেরে আমি ভীষণ খুশি।’

চয়ন ইসলাম বলেন, ‘আমি জার্মানিতে পড়াশোনা করার সময় জেনিফারের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ভালোবাসা। দীর্ঘ ৫ বছরের সম্পর্ক আমাদের মাঝে। আমি সেখানে একটি চাকরি করতাম। মালিকের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশে চলে আসি। আমার ভালোবাসার টানে জেনিফার বাংলাদেশে চলে এসেছে। আমরা বিয়ে করেছি, এতে আমার ও জেনিফারের পরিবারের সবাই খুব খুশি হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 Agrajatrasangbad.com
Desing & Developed BY ThemeNeed.com