1. basitpress71@gmail.com : basitpress71 :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
Title :
তালামীযে ইসলামিয়া কমলগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন মৌলভীবাজারে টপ টেন এর নতুন শোরুম উদ্বোধন উদ্বোধন উপলক্ষে সব পণ্যে ১৫ শতাংশ বিশেষ ছাড় করমউল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কমলগঞ্জে অভয় চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত  মো. ফরিদ মিয়া নেতা নয়, জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই: সমাজসেবক আহমেদ সাদিক কমলগঞ্জে সীরাত সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে ইশকে মোস্তফা মাহফিল অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা,শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত সাইফুল ইসলাম কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সত্যেন্দ্র কুমার পাল নান্টু পুনরায় নির্বাচিত

তিন মাসেই কোটিপতি রাজনগর উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ দাস

  • Update Time : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেকঃ
তিন মাসেই কোটিপতি বনে গেছেন রাজনগর উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ দাস। চেক জালিয়াতি ও প্রতারণা করে অল্প সময়ে এত বিপুল টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে উপজেলা প্রশাসনে। তিনি রাজনগর উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর। চেক জালিয়াতি ও ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন। মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক ইসরাইল হোসেনের পরিদর্শনে বিষয়টি ধরা পড়ে। এদিকে অল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিলেও বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে না আসায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন এতে আরও অনেকেই জড়িত আছেন এবং বিষয়টি সত্য কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাবেক সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ দাস ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর রাজনগরে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বড়লেখায় বদলি করা হয়। কিন্তু বদলি হওয়ার আগে তিনি ৪ মাসে ১ কোটি ৫১ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৫ টাকা চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন। গত ২৮শে অক্টোবর রাজনগর উপজেলা পরিষদে পরিদর্শনে যান মৌলভীবাজারের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন। এসময় পরিষদের ক্যাশ বইয়ে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলে অনুপ দাসের জালিয়াতি ধরা পড়ে। জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্তের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোসা. শাহিনা আক্তার বিষয়টি তদন্ত করেন। এতে দেখা যায়, অনুপ দাস উপজেলা হাট-বাজারের তহবিল থেকে ৮০ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৫ টাকা, উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ৪০ লাখ টাকা ও উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিল থেকে ৩১ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

এসব টাকার মধ্যে কিছু টাকা ব্যক্তি নামে নগদ উত্তোলন ও তার নিজের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। এদিকে এত অল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়া হলেও বিষয়টি কারও নজরে না আসায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। পরিষদের একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত চেকে কিছু খালি জায়গা রেখে ইউএনও’র সামনে চেক হাজির করতো সে। স্বাক্ষর হয়ে গেলে ওই চেকে টাকার পরিমাণের আগে আর সংখ্যা বসিয়ে টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে দিতো অনুপ দাস। রাজনগরে তার চুরির বিষয়টি ধরা পড়ার পর বড়লেখা উপজেলায়ও খোঁজ করা হয়। সেখানে একই কায়দায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে সে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মৌলভীবাজারের স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের তদন্তে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক অনুপ দাসের মোবাইল ফোনে কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে জানতে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল ও রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা তুজ জোহরার মোবাইল ফোনে কল করলেও ফোন রিসিভ করেন নি। মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোসা. শাহিনা আক্তার বলেন, এ বিষয়ে অফিস প্রধান হিসেবে ইউএনও বক্তব্য দিলে ভালো। অথবা আমাদের অফিসের প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নিলে ভালো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 Agrajatrasangbad.com
Desing & Developed BY ThemeNeed.com