
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় ‘দেশের নেতৃত্বে, জনগণের শক্তিতে, আমরাই পারবো যক্ষ্মা নির্মূল করতে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় World Tuberculosis Day পালিত হয়েছে।
বুধবার (আজ) সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (SMC)-এর কারিগরি সহযোগিতা ও অর্থায়নে সীমান্তিক কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সীমান্তিক উপজেলা সুপারভাইজার নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সীমান্তিক এমএমএস প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর মো: হুমায়ুন কবির। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আয়েশা বেগম, কমিউনিটি মোবিলাইজার লিজা তালুকদার, নিয়তি রানী ভৌমিক, প্যারামেডিক প্রতিমা বালা দাস এবং গোল্ড স্টার মেম্বার চায়না বেগম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, Tuberculosis (টিবি) এখনও বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক রোগ। বাংলাদেশেও এ রোগের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। তবে সময়মতো শনাক্তকরণ ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।
বক্তারা আরও জানান, প্রতি বছর ২৪ মার্চ World Tuberculosis Day পালিত হয়, যা যক্ষ্মা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ নতুন করে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলেও সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং বেসরকারি সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ এবং ডটস (DOTS) পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন কাশি, জ্বর, ক্ষুধামন্দা এবং ওজন কমে যাওয়া যক্ষ্মার প্রধান লক্ষণ। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই কাশি বা হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
শেষে বক্তারা বলেন, “যক্ষ্মা ভয় নয়—সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসাই পারে এই রোগকে পরাজিত করতে।”